Bengal Fast
বিশ্ব মাঝে বাংলা খবর

‘পেগাসাস ফেরোসাস, নরেন্দ্র মোদির নাভিশ্বাস।’ ২১শে জুলাইয়ের ভার্চুয়ালি সভা থেকে তোপ মমতার

শুভাশিস মণ্ডল

‘পেগাসাস ফেরোসাস, নরেন্দ্র মোদির নাভিশ্বাস।’ ২১শে জুলাইয়ের ভার্চুয়ালি সভা থেকে কেন্দ্র সরকার এবং বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কৃষক আন্দোলন থেকে করোনা পরিস্থিতি, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি-সহ সাম্প্রতিক পেগাসাস নিয়ে ঝড় বইয়ে দিলেন তাঁর বক্তৃতায়। কালীঘাট থেকে শহিদদের তর্পণ করতে উঠে মমতা বুঝিয়ে দিলেন এই মুহূর্তে তিনি দেশে মোদি-বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মুখ।

‘পেগাসাস ডেঞ্জারাস। পেগাসাসের নামে আমার-আপনার ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে। দেশে স্বৈরাচার চলছে।’ কার্যত হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘কাউকে ফোন করতে পারছি না। বিচারপতি থেকে মন্ত্রী, সকলের ফোন ট্যাপ করা হয়েছে। আমি তো আমার ফোনের ক্যামেরায় স্টিকিং প্লাস্টার লাগিয়ে দিয়েছি। কারণ ফোন ট্যাপ হচ্ছে। দেশে গোয়েন্দাগিরি চলছে। বিজেপি গণতন্ত্র ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ধ্বংস করেছে।’ এরপরই ফোন ট্যাপ ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে জোড়হাত করে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করার আবেদনও করলেন তিনি।

- Sponsored -

পাশাপাশি কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘জ্বালানি তেল, রান্নার গ্যাসের দাম মাত্রাছাড়া। পুরো দেশে এখন বেকারত্ব-হিংসার জেরে হতাশা। রান্নার গ্যাসের দাম দু’মাসে ৪৭ বার বেড়েছে। এত টাকা কোথায় যাচ্ছে? গরিব মানুষকে টাকা দেওয়ার বদলে আড়ি পাতায় টাকা খরচ করা হচ্ছে। স্পাইং, বিটিং, কিলিং অ্যান্ড টকিং টু মাচ ডুয়িং নাথিং।’ বিজেপিকে ‘হাই লোডেড ভাইরাস পার্টি’ বলে নিশানা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সব নেতাদের বলছি একটা ফ্রন্ট গড়ুন। একটা খেলা হয়েছে। আবার খেলা হবে। আর দেরি করলে চলবে না। বিজেপিকে যতদিন না দেশ থেকে তাড়াচ্ছি, রাজ্যে রাজ্যে খেলা হবে। সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ে তুলতে হবে।’

এদিন করোনা নিয়েও মোদি সরকারকে একহাত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, ‘কোভিডে দেশ শেষ হয়ে গিয়েছে। গঙ্গায় মৃতদেহ ভাসছে আর প্রধানমন্ত্রী বলছেন উত্তরপ্রদেশ দেশের মধ্যে সেরা রাজ্য। টিকা নেই, ওষুধ নেই, অক্সিজেন নেই, মৃতদেহ সৎকার পর্যন্ত করতে পারছে না। আমরা গঙ্গা থেকে তুলে সৎকার করেছি। খালি বড় বড় কথা। প্রধানমন্ত্রীর একটুও লজ্জা লাগে না? দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণ করা যেত ঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে। আপনাদের জন্যই ৪ লক্ষ লোক মারা গিয়েছে দেশে। সামনে তৃতীয় ঢেউ। তা নিয়েও কোনও পরিকল্পনা নেই। কোনও আলোচনা নেই।’

Subscribe to our Whatsapp Group for daily news alerts.


You might also like

- sponsored -

Comments are closed.