Bengal Fast
বিশ্ব মাঝে বাংলা খবর

ছুটি হয়ে গেল শেষ করোনা রোগীরও! শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতাল এখন সবার

নিজস্ব সংবাদদাতা: সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন শ্রীরামপুর শ্রমজীবী কোভিড-১৯ হাসপাতালের শেষ করোনা রোগী। শেষতম করোনা আক্রান্ত শ্রীরামপুরের সত্তর বছর বয়স্ক প্রবীণ চিকিৎসক হাসপাতালের পরিষেবায় সন্তোষ প্রকাশ করে ফিরে গেলেন নিজের বাড়িতে। তাঁকে হাসপাতাল থেকে বিদায়ের মুহূর্তে হাসাপাতালের চিকিৎসক, নার্স-সহ অন্যান্যরা ফুল ও মিস্টি দিয়ে কুর্নিশ জানান।  প্রসঙ্গত গত ৪ এপ্রিল ২০২১ রাজ্য সরকার শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালকে করোনা হাসপাতালে পরিণত করে। করোনা মহামারীর কঠিন সময়ে শ্রমজীবী হাসপাতাল প্রায় ২ হাজার রোগীর চিকিৎসা করতে পেরেছে যথেষ্ট সুনামের সঙ্গেই।

- Sponsored -

ডিসেম্বর মাসে সরকার ১০০টি শয্যার মধ্যে ৪০টি ছেড়ে দিয়ে বাকি ৬০টিতে করোনা চিকিৎসা চলছিল। জানুয়ারি মাসে আরও ৩৫টি শয্যা ছেড়ে দেওয়া হয়। তারপর মাত্র ২৫টি শয্যায় চলছিল করোনা চিকিৎসা। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর এক নির্দেশে শ্রমজীবী হাসপাতালের সবকটি শয্যাই ছেড়ে দেয়। প্রসঙ্গত হাসপাতাল ছাড়ার সময় ভর্তি রোগী ছিলেন একমাত্র ওই প্রবীণ চিকিৎসকই। কিন্তু হাসপাতাল ছেড়ে দিলেও বকেয়া প্রায় ৯ কোটি টাকা কীভাবে বা কবে মিলবে সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আজও অন্ধকারে।

তবে হাসপাতাল করোনা তকমামুক্ত হওয়ায় স্বাভাবিক পরিষেবা দ্রুত শুরু করতে উদ্যোগী হয়েছে শ্রমজীবী হাসপাতাল। ইতিমধ্যে গাইনি, অর্থোপেডিক, সার্জারি, মেডিসিন, চেস্ট-এর বহির্বিভাগ শুরু হয়েছে। মেডিসিন অন্তর্বিভাগও শুরু করা গেছে। এবার হাসপাতাল স্যনিটাইজের পর প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণের কাজও চলছে দ্রুততায়। আশা করা যায় চলতি মাসের শেষেই শুরু করা যাবে অপারেশন থিয়েটারও। যাতে বহু শ্রমজীবী মানুষ উপকৃত হবেন। পাশাপাশি বাইপাস সার্জারি, নিউরো সার্জারি, থোরাসিক সার্জারি, চক্ষু প্রতিস্থাপন কেন্দ্রগুলির মতো থমকে যাওয়া প্রকল্পগুলিও দ্রুত রূপায়ণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Subscribe to our Whatsapp Group for daily news alerts.


You might also like

- sponsored -

Comments are closed.