কৃষি আইনের প্রতিবাদে দেশজুড়ে ধর্মঘট পালন কৃষক সংগঠনের

নিজস্ব সংবাদদাতা : নতুন কৃষি আইনের প্রতিবাদে সারা দেশজুড়ে ৮ নভেম্বর ধর্মঘট পালন করল কৃষক সংগঠনগুলো। দেশব্যাপী বনধের দিনেই কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বিক্ষোভরত কৃষকরা। আজ সন্ধ্যা ৭টায় কৃষক নেতাদের বৈঠকে ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক কৃষক নেতা।
কৃষকদের সমর্থনে বনধে যোগ দেবার কথা সোমবার জানিয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সোমবার কৃষক নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে যান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তারপর থেকেই তাঁকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেছে আম আদমি পার্টি। যদিও তা নাকচ করে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৩ টে পর্যন্ত ডাকা এই বনধ সমর্থনে এগিয়ে আসে বিজেপি বিরোধী দলগুলো। ব্যাঙ্ক কর্মীদের ইউনিয়নগুলোর তরফে জানানো হয়েছিল বনধে সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও মঙ্গলবার কালো ব্যাচ পরে অফিস করবেন তাঁরা।
পাশাপাশি ট্যাক্সি ইউনিয়নগুলো বনধের সমর্থনে গাড়ি বন্ধ রাখবেন বলে জানিয়েছিলেন। পঞ্জাবে এই বনধে সবচেয়ে প্রভাব পড়েছে। পঞ্জাবের শাসক দল, বিরোধী দল নির্বিশেষে সমর্থন জানিয়েছেন বনধকে। সেখানকার বাজার বন্ধ ছিল। চলেছে অবস্থান বিক্ষোভ। দিল্লি-পঞ্জাব এবং দিল্লি-হরিয়ানার সংযোগস্থল বন্ধ রাখা হয়। ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়ক বন্ধ ছিল দুইদিক থেকেই। দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমানায় চাক্কা জ্যাম পালন করে কৃষকরা।
ওলা-উবের এবং ট্যাক্সি চণ্ডীগড়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে কংগ্রেসের সমর্থকরা। গুজরাতে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ আন্দোলনকারীদের। তেলাঙ্গানাতেও পথ অবরোধ পরিবহন কর্মীদের। পুনের ব্যবসায়ী সমিতির তরফে জানানো হয়েছিল কৃষক আন্দোলনকে পূর্ণ সমর্থন করলেও মাণ্ডি খোলা রেখেছেন তারা। অন্যদিকে তামিলনাড়ু ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন বনধ সমর্থন করেনি। মুম্বইতে বাস, অটো ও ট্যাক্সি চলেছে। যদিও হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ ছিল।
Comments are closed.