বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ! ‘বোমার কারখানা এখন পশ্চিমবাংলার কুটির শিল্প’

নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা আবহে লকডাউনের মাঝেই পুরুলিয়ায় বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে বিশেষ বৈঠকে যোগ দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ । পুরুলিয়া এসে এদিন তিনি জানান, ‘করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য চলছে লকডাউন। আমাদের কার্যকর্তারা রয়েছেন নিজের নিজের জায়গায়।নির্বাচনের পর দলের কার্যকর্তাদের সাথে দেখা করার জন্যই এই সফর।’
তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে সামনে পৌরসভা নির্বাচন থাকায় দলীয় কর্মীদের সাথে বিশেষ আলোচনার জন্যই আজকের এই পুরুলিয়া সফর দিলীপ ঘোষের।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ আরও জানান, ‘টিএমসির কাছে কোনও ইস্যু না থাকলে রাজ্যপালকে নিয়ে টানাটানি করে। অর্জুন সিং যখন থেকে বিজেপিতে জয়েন করেছে তখন থেকেই তাঁকে টার্গেট করে প্রাণে মারার চেষ্টা হয়েছে। তাঁর পরিবারকে নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে। পুরো ব্যারাকপুর লোকসভাকে আগুন জ্বালিয়ে রাখা হয়েছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে আরও ব্যাপক আকারে হচ্ছে। এখন বোমা মারা কোনও ব্যাপারই নয়। কালকে আমাদের হেস্টিংস কার্যালয়ের সামনে বোমা পাওয়া গেছে। তার খবর দিয়েছে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স। পুলিশের কাছে কোনও খবরই ছিল না।’
পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, ‘বোমার কারখানা এখন পশ্চিমবাংলার কুটির শিল্প। আর সেটা বিরোধীদের ধ্বংস করার জন্য কাজে লাগানো হচ্ছে। নির্বাচনের সময় থেকে এখনও পর্যন্ত হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্ট-সহ বিভিন্ন কমিশনে সাড়ে আট হাজার ঘটনা আমরা লিপিবদ্ধ করে জানিয়েছি। নির্বাচনের পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৩৭জন কার্যকর্তা আমাদের মারা গেছে। এখনও বেশ কয়েক হাজার মানুষ ঘরছাড়া। লুটপাট চলছে, মহিলাদের উপর অত্যাচার চলছে। পুলিশ এফআইআর পর্যন্ত নেয় না। বাধ্য হয়ে আমরা কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন নির্বাচনের সময় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বে তিনি ছিলেন না। কিন্তু তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসার পরেও অনেক সন্ত্রাস হয়েছে। যা নিয়ে মানবাধিকার কমিশন-সহ বিভিন্ন কমিশন গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।’
Comments are closed.