কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচন বিধানসভা ভোটের পরেই

বীরেন ভট্টাচার্য, নয়াদিল্লি
আসন্ন পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরে কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচন হবে। আজ দলের বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা কেসি বেনুগোপাল। রাহুল গান্ধি বৈঠকে জানিয়েছেন, রাজ্যগুলির নির্বাচন হয়ে গেলে তবেই এই বিষয়ে এগিয়ে যাওয়া হবে।
সূত্রের খবর, এদিন কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে দলের গুলাম নবি আজাদ, পি চিদাম্বরম, মুকুল ওয়াসনিকের মতো নেতারা দ্রুত সভাপতি পদে নির্বাচন করার দাবি তোলেন। একের পর এক নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর দলের সাংগঠনিক নির্বাচন করে দলকে ঢেলে সাজানোর দাবি তুলেছেন এই নেতারা। পাশাপাশি গান্ধি পরিবারের দিকেও নানান প্রশ্ন তুলেছিলেন। অন্যদিকে অশোক গেহলট, অমরিন্দর সিং, একে অ্যান্টনি, ওমান চণ্ডী, তারিক অনোয়ারের মতো নেতাদের দাবি, আগে রাজ্যগুলির বিধানসভা নির্বাচন হোক, তারপরেই সাংগঠনিক নির্বাচন করা হবে। তাঁদের যুক্তি, এই সময় বাংলা, তামিলনাড়ু-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। ফলে এখন সাংগঠনিক নির্বাচন করতে গেলে দলের নেতাদের মনোযোগ পুরোপুরি সেদিকেই চলে যাবে, রাজ্যগুলির নির্বাচন অনেকটাই গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে। তাঁদের যুক্তি, “বিজেপি আমাদের মতো সাংগঠনিক নির্বাচন করে না। আমাদের প্রথম কাজ রাজ্যগুলির বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার, তারপর সাংগঠনিক নির্বাচন করা হবে।”
আলোচনা এবং তর্ক-বিতর্ক চলার পর দ্বিতীয় যুক্তিটি পরিণতি পায়। আপাতত রাজ্যগুলির বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রস্তুতি এবং সাংগঠনিক বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া হবে এবং তারপর সাংগঠনিক নির্বাচন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে। মে মাসে দলের সাংগঠনিক নির্বাচন করতে পারে কংগ্রেস। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সনিয়া গান্ধি।
Comments are closed.